সূরা Fussilat ৪১:৪৭

فصلت · মক্কী · মোট ৫৪ আয়াত

৪১:৪৭

إِلَيْهِ يُرَدُّ عِلْمُ السَّاعَةِ ۚ وَمَا تَخْرُجُ مِن ثَمَرَاتٍ مِّنْ أَكْمَامِهَا وَمَا تَحْمِلُ مِنْ أُنثَىٰ وَلَا تَضَعُ إِلَّا بِعِلْمِهِ ۚ وَيَوْمَ يُنَادِيهِمْ أَيْنَ شُرَكَائِي قَالُوا آذَنَّاكَ مَا مِنَّا مِن شَهِيدٍ

তাঁর কাছেই হাওয়ালা দেওয়া হয় ঘড়িঘন্টার জ্ঞান সন্বন্ধে। আর ফল-ফসলের কোনোটিই তার থোড়ের মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসে না, আর নারীদের কেউ গর্ভধারণ করে না ও সন্তান প্রসবও করে না তাঁর জ্ঞানের বাইরে। আর সেইদিন তিনি তাদের ডেকে বলবেন -- ''কোথায় আমার শরিকান?’’ তারা বলবে -- ''আমরা তোমার কাছে ঘোষণা করছি, আমাদের মধ্যে কেউই সাক্ষী নই।’’

তিলাওয়াত

অডিও শীঘ্রই যুক্ত করা হবে।

সম্পর্কিত আয়াত

وَلَوْ جَعَلْنَاهُ قُرْآنًا أَعْجَمِيًّا لَّقَالُوا لَوْلَا فُصِّلَتْ آيَاتُهُ ۖ أَأَعْجَمِيٌّ وَعَرَبِيٌّ ۗ قُلْ هُوَ لِلَّذِينَ آمَنُوا هُدًى وَشِفَاءٌ ۖ وَالَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ فِي آذَانِهِمْ وَقْرٌ وَهُوَ عَلَيْهِمْ عَمًى ۚ أُولَـٰئِكَ يُنَادَوْنَ مِن مَّكَانٍ بَعِيدٍ

আর যদি আমরা এটিকে একটি আ'জমী ভাষণ বানাতাম তাহলে তারা নিশ্চয়ই বলত -- ''এর আয়াতগুলো কেন পরিস্কারভাবে বলা হয় নি? কী! একটি আ'জমী এবং একজন আরবীয়!’’ বলো -- ''যারা বিশ্বাস করে তাদের জন্য এটি এক পথনির্দেশ ও এক আরোগ্য-বিধান।’’ আর যারা বিশ্বাস করে না তাদের কানের মধ্যে রয়েছে বধিরতা, আর তাদের জন্য এটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। এরা -- এদের ডাকা হয় বহু দূরের জায়গা থেকে।

وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ فَاخْتُلِفَ فِيهِ ۗ وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِن رَّبِّكَ لَقُضِيَ بَيْنَهُمْ ۚ وَإِنَّهُمْ لَفِي شَكٍّ مِّنْهُ مُرِيبٍ

আর আমরা তো ইতিপূর্বে মূসাকে ধর্মগ্রন্থ দিয়েছিলাম, কিন্ত এতে মতভেদ ঘটানো হয়েছিল। আর যদি না তোমার প্রভুর কাছ থেকে একটি বাণী ইতিপূর্বে ধার্য হয়ে থাকত তাহলে তাদের মধ্যে মীমাংসা হয়ে যেত। আর নিঃসন্দেহ এ-সন্বন্ধে তা রা এক অস্বস্তিকর সন্দেহের মাঝে রয়েছে।

مَّنْ عَمِلَ صَالِحًا فَلِنَفْسِهِ ۖ وَمَنْ أَسَاءَ فَعَلَيْهَا ۗ وَمَا رَبُّكَ بِظَلَّامٍ لِّلْعَبِيدِ

যে কেউ সৎকর্ম করে থাকে, সেটি তো তার নিজের জন্যেই, আর যে কেউ মন্দকাজ করে সেটি তো তারই বিরুদ্ধে। আর তোমার প্রভু দাসদের প্রতি আদৌ অন্যায়কারী নন।

وَضَلَّ عَنْهُم مَّا كَانُوا يَدْعُونَ مِن قَبْلُ ۖ وَظَنُّوا مَا لَهُم مِّن مَّحِيصٍ

আর এর আগে যাদের তারা ডাকত তারা তাদের থেকে অদৃশ্য হয়ে যাবে, আর তারা বুঝবে যে তাদের জন্য কোনো আশ্রয় নেই।

لَّا يَسْأَمُ الْإِنسَانُ مِن دُعَاءِ الْخَيْرِ وَإِن مَّسَّهُ الشَّرُّ فَيَئُوسٌ قَنُوطٌ

মানুষ ভালর জন্যে প্রার্থনায় ক্লান্তি বোধ করে না, কিন্ত যদি দুঃখকষ্ট তাকে স্পর্শ করে সে তখন ধৈর্যহারা হয়ে যায়।

وَلَئِنْ أَذَقْنَاهُ رَحْمَةً مِّنَّا مِن بَعْدِ ضَرَّاءَ مَسَّتْهُ لَيَقُولَنَّ هَـٰذَا لِي وَمَا أَظُنُّ السَّاعَةَ قَائِمَةً وَلَئِن رُّجِعْتُ إِلَىٰ رَبِّي إِنَّ لِي عِندَهُ لَلْحُسْنَىٰ ۚ فَلَنُنَبِّئَنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا بِمَا عَمِلُوا وَلَنُذِيقَنَّهُم مِّنْ عَذَابٍ غَلِيظٍ

আর দুঃখদুর্দশা তাকে স্পর্শ করার পরে আমরা যদি তাকে আমাদের থেকে করুণা আস্বাদ করাই, সে নিশ্চয়ই বলবে -- ''এটি আমারই জন্যে, আর আমি মনে করি না যে ঘড়িঘন্টা কায়েম হবে, আর যদিই বা আমাকে আমার প্রভুর কাছে নিয়ে যাওয়া হয় তবে আমার জন্য তাঁর কাছে কল্যাণই থাকবে।’’ কিন্ত যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তাদের আমরা অবশ্যই জানিয়ে দেব কী তারা করেছিল এবং তাদের আমরা অবশ্যই আস্বাদন করাব কঠোর শাস্তি থেকে।